মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

বিদেশ  কর্মসংস্থানের  সুযোগ সৃষ্টি,  আত্মকর্মসংস্থানে  সহায়তা  শ্রমবাজারে  তথ্যাবলী  সংগ্রহ, প্রবাসীকর্মীদের  কল্যানমুলক কর্মসম্পাদনসহ নানারুপ কল্যানমুলক কর্মকান্ডে নিয়োজিত রয়েছে।

     এ দপ্তরের বিভিন্ন শাখার কর্মক্রম নিম্নরুপঃ

১।কর্মসংস্থান শাখাঃ

(ক) চাকুরী প্রার্থীদের নাম তালিকাভূক্তি করণঃ

* স্থানীয় ভাবে দেশের অভ্যন্তরে চাকুরী প্রার্থীগন অত্র দপ্তরে তাদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা উল্লেখ  করে চাকুরীর জন্য নাম তালিকাভূক্তি করতে পারেন।

*তালিকাভূক্তি প্রার্থীদের তাদের যোগ্যতানুসারে বিজ্ঞপিত পদের  বিপরীতে আবেদনপত্র দাখিলের পরামর্শ দেওয়া হয়। অথবা অত্র দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন পত্র নিয়োগকর্তার বরাবরে উপস্থাপন করা হয়।

(খ) বিদেশগামী কর্মদের নাম ডাটাবেজে তালিকাভূক্তিঃ

*বৈদেশিক চাকুরীর জন্য বিদেশগামী কর্মীর ডাটাবেজে নাম তালিকাভূক্তি বাধ্যতামূলক;

 তালিকাভূক্তির জন্য জনপ্রতি ৮০/-(আশি) টাকা ফি সহ নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়;

অত্র দপ্তর থেকে এ বিষয়ে সার্বিক সহায়তা করা হয়;

ডাটা বেজে নাম তালিকাভূক্তির সময় ২দিন।

পেশা নির্দেশণাঃ

(গ) চাকুরী প্রার্থদের সঠিক পেশা নির্বাচনে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

(ঘ) শ্রমবাজার তথ্যঃ প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশক্রমে শ্রমবাজার তথ্য জরিপ করা হয়।

২।কল্যাণ শাখাঃ

বিদেশে মৃত কর্মীদের লাশ দেশে আনা ও দাফন খরচ প্রদানঃ

(ক) ৩৫,০০০/-(পয়ত্রিশ হাজার) টাকা আর্থিক সাহয্যের জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়ঃ

* সাদা কাগজে আবেদন

* মৃতের মূল  পাসপোর্টের  ফটোকপি, ডেথসার্টিফিকেট  এয়ার  ওয়েজ বিল,উত্তরাধিকার সনদ, চেয়ারম্যান সনদ ও সত্যায়িত ছবি।

* জনশক্তি ব্যুরোর বর্হিগমন ছাড়পত্র এবং কাগজ পত্রাদি যাচাই বাছাই অত্র দপ্তরের  মাধ্যমে ওয়ারিশ সনাক্তকরণ সংক্রান্ত  প্রতিবেদন  ব্যুরোতে প্রেরণ করা  হয়। দাপ্তরিক  কার্যক্রমশেষে অত্র দপ্তরে  জনশক্তি ব্যুরো  থেকে চেক প্রেরণ করা হয়।

(খ)বিদেশে কর্মরত মৃত বাংলাদেশী কর্মীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় ও বিতরণঃ

*সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কর্তা হতে বকেয়া পাওনা ও ক্ষতিপুরণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয। নিয়োগকর্তা হতে  ক্ষতিপূরণ পাওযা না গেলে মৃতের উত্তরাধিকারীগণকে কল্যাণ তহবিল হতে ১(এক) লক্ষ বা ২(দুই) লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। এ জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি জমা দিতে হয়ঃ

* সাদা কাগজে আবেদন

*মৃতের  মূল  পাসপোর্টের  ফটোকপি, ডেথসার্টিফিকেট, উত্তরাধিকার  সনদ, ফরায়েজ  নামা,অভিভাবকত্ব  সনদ

( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) চেয়ারম্যান সনদ ও সত্যায়িত ছবি।

* দূতাবাস হতে টাকা প্রাপ্তির পর ওয়ারিশগণকে অবহিত করণ, ওয়ারিশদের  দাখিলকৃত  কাগজ  পত্রাদি  যাচাই বাছাই শেষে  অত্র  দপ্তরের  মাধ্যমে ওয়ারিশ  সনাক্তকরণ পূর্বক বিএমইটিতে প্রেরন  কার হয় । অতঃপর  ব্যুরো থেকে চেক প্রাপ্তি সাপেক্ষে ৩ ( তিন) দিনের মধ্যে ওয়ারিশহগনের মধ্যে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়।

 

(গ) বিদেশে ক্ষতিগ্রস্থ কর্মীদের প্রয়োজনবোধে আইনি সহায়তাঃ

* বিদেশে জেলে আটক  কর্মীকে  সংশ্লিষ্ট  দেশে  অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে নিয়োজিত কর্মকর্তা / আইনজীবি দ্বারা আইনী সহায়তা প্রদান করা হয়।

(ঘ) বিদেশে মৃত কমীদের লাশ দেশে আনয়ন/ দাফনের ব্যবস্থাঃ

* বিদেশে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণকে অত্র দপ্তরে সাদা কাগজে লাশ আনয়ন/ দাফনের আবেদন করতে হয়।

* আবেদন প্রাপ্তির পর  মৃতের  ঠিকানায় সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক লাশ আনয়ন/ দাফনের মতামত ব্যুরোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে প্রেরণ করা হয়।

* লাশ দেশে প্রেরণ করা হলে ওয়ারিশগনকে বিমান বন্দর থেকে লাশ গ্রহনের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।

(ঙ) বিদেশগামী কর্মীদের সচেতনা বৃদ্ধির উদ্যোগঃ

* বিদেশগামী কর্মীদের দালাল চক্র বা প্রতারকের হাত হতে রক্ষার জন্য ব্রিফিং এর ব্যবস্থা করা  হয়।

* সঠিক রিক্রুর্টিং এজন্সির তালিকা/ ঠিকানা সরবরাহ করা হয়।

* বিদেশগামী কর্মীদের সচেতনতার জন্য লিফলেট পুস্তিকা সরবরাহ করা হয়।

* শহরের গুরুত্বপুর্ন স্থানে এই সম্পর্কিত পোষ্টার লাগানো।

* উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সচেতনা মূলক কার্যক্রমের উপর আলোচনা সভার আয়োজন।


Share with :

Facebook Twitter